যে লক্ষণগুলো খেয়াল রাখবেন
- মলত্যাগের অভ্যাসে দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন — ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য
- মলের সাথে রক্ত বা কালো রঙের মল
- অসম্পূর্ণ মলত্যাগের অনুভূতি
- পেটে ব্যথা, ফোলা বা অস্বস্তি
- অকারণে ওজন কমে যাওয়া
- দুর্বলতা ও রক্তস্বল্পতা
কাদের ঝুঁকি বেশি?
পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়স, পরিবারে কোলন ক্যান্সারের ইতিহাস, কোলনে পলিপ, দীর্ঘদিনের আলসারেটিভ কোলাইটিস বা ক্রনস ডিজিজ, ধূমপান, স্থূলতা এবং লাল মাংস ও প্রক্রিয়াজাত খাবার বেশি খাওয়া ঝুঁকি বাড়ায়।
প্রাথমিক শনাক্তকরণের গুরুত্ব
কোলনোস্কপির মাধ্যমে পলিপ বা প্রাথমিক পর্যায়ের ক্যান্সার শনাক্ত করা যায়। এ পর্যায়ে আধুনিক চিকিৎসা ও সার্জারির মাধ্যমে সফলভাবে চিকিৎসা করা সম্ভব।
উপরের লক্ষণগুলো পাইলসের মতো সাধারণ রোগেও হতে পারে। তাই ভয় না পেয়ে, আবার অবহেলাও না করে — বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে সঠিক কারণ নির্ণয় করুন।
প্রতিরোধে করণীয়
- আঁশযুক্ত খাবার, শাকসবজি ও ফলমূল বেশি খান
- নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করুন
- ধূমপান ও অতিরিক্ত লাল মাংস এড়িয়ে চলুন
- ঝুঁকি থাকলে নিয়মিত স্ক্রিনিং করান
